পয়লা জুন থেকে ধর্মীয় স্থানে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাচ্ছে। আটই জুন থেকে লকডাউন উঠে যাচ্ছে প্রায় তবে দক্ষিণেশ্বর, বেলুড় মঠ ও তারাপীঠ মন্দিরের দরজা খোলা হচ্ছেনা। নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় মন্দির, মসজিদ, গির্জাসহ যেকোন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান তার দরজা খুলতে পারবে। তবে, একসাথে দশ জনের বেশি প্রবেশ করতে পারবেনা।

হাতে স্যানিটাইজার নিয়ে প্রবেশ করতে হবে কিন্তু রাজ্যের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান সিদ্ধান্ত নেয় তারা আপাতত মন্দিরের দরজা খুলবেনা। আসলে দক্ষিণেশ্বর, তারাপীঠ এবং বেলুড় মঠ তিনটে জায়গাতেই বিপুল লোক সমাগম হয়, এই মুহূর্তে খুলে দিলে ব্যাপক মানুষের জমায়েত হবে। মন্দিরের ভেতরে একসাথে দশজনের বেশি প্রবেশ করতে পারবেনা। সেক্ষেত্রে মন্দিরের বাইরে মানুষকে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হবে এবং মন্দিরের বাইরে ব্যাপক জমায়েত হবে। ফলে সংক্রমণের একটা সম্ভাবনা রয়ে যায়।


তাছাড়া, এই তিনটি মন্দিরে দূরদূরান্ত থেকে মানুষজন আসে, ফলে বাসে, রাস্তায় মানুষের সংখ্যা বাড়বে। এই অবস্থায় এই তিনটি ধর্মীয় স্থানের কর্তৃপক্ষ আপাতত মন্দিরের, মঠের দরজা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে। যদিও ভারতবর্ষে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর অনেকের জীবন-জীবিকা নির্ভর করে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসমূহ সংলগ্ন ছোট ছোট দোকান, মন্দিরের সেবায়েত, পুরোহিত, সাফাই কর্মী, রাঁধুনি, ছোট ছোট গাড়ি, খাবারের দোকান সহ বহু লোকের সংসার চলে কিন্তু অগণিত মানুষ, ভক্ত, রাজ্যবাসীর কথা ভেবে কর্তৃপক্ষকে আপাতত মন্দিরের দরজা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে । এই সময় মন্দিরে গিয়ে পুজো দেওয়ার চাইতেও গুরুত্বপূর্ণ বাড়িতে থেকে সংক্রমণ প্রতিরোধ করা। তাছাড়া ধর্মীয় স্থান অত্যাবশ্যক পরিষেবার মধ্যে পড়েনা ।