ভারত নিউজ – সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন সব তথ্যই পাওয়া যায় তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমস্যা – কোনটা সঠিক তথ্য আর কোনটা বেঠিক তথ্য বোঝা মুশকিল । তবে এখন সবকিছুকে ছাপিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিশেষত ফেসবুকে কিছু ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপে শুরু হয়েছে ডাক্তারি ফলানো এবং ওষুধ প্রেসক্রাইব করা। হোমিওপ্যাথি, এলোপ্যাথি সবরকম চিকিৎসা শুরু হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় এভাবেই শুরু হয়েছে ডাক্তারি ।

ডাক্তারের ভিজিট লাগবেনা শুধু ওষুধটা কিনলেই হবে। জ্বর, কাশি, গলা ব্যাথা, পাতলা পায়খানা এমনকি করোনার হোমিওপ্যাথিক ওষুধও পাওয়া যাচ্ছে। এগুলো ঠিকঠাক ওষুধ কিনা সেটা পরের কথা এভাবে ওষুধ বিক্রি এবং চিকিৎসা করা যায়না কারণ কোনো রেজিস্টার্ড ডাক্তার ছাড়া ওষুধ প্রেসক্রাইব করতে পারেনা এবং ফার্মাসিস্ট ছাড়া ওষুধ বিক্রি করতে পারেনা। অনলাইন ওষুধের অর্ডার ডাক্তারের প্রেসক্রিপশান স্ক্যান করে আপলোড করতে হয়। হোমিওপ্যাথিক এর বিভিন্ন রোগের বিভিন্ন ওষুধের তালিকা রয়েছে কিন্তু সেখানে ওষুধটি মাদার না গ্লোবিউলস, না পুরিয়া কিছু উল্লেখ নেই। কতটা মাত্রায়, দিনে কতবার, কত দিন সেবন করতে হবে সেসবের উল্লেখ নেই। একটা ওষুধ ডাক্তারবাবুরা প্রেসক্রাইব করার আগে রোগীর প্রোফাইল জেনে, বয়স, লিঙ্গ, শরীরে অন্য কোন সমস্যা আছে কিনা সবকিছু বিবেচনা করে করেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় এই সমস্ত ডাক্তারি করার সময় রোগীকে চোখে দেখা, তার প্রোফাইল দেখা এসবের কোন ব্যাপার নেই তাই এভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ওষুধ বিক্রি ও ডাক্তারি শুরু হলে তার পরিণতি মারাত্মক হলেও হতে পারে

যেখানে মেডিকেল কাউন্সিল গ্রামীণ চিকিৎসকদের এখনও স্বীকৃতি দেয়নি সেখানে ফেসবুকে বা অন্য কোনো সোশ্যাল মিডিয়ায় ওষুধ প্রেসক্রাইব, ওষুধ বিক্রি কতটা যুক্তিসংগত সেটা ভেবে দেখা দরকার তাই মানুষের এই সমস্ত বিষয়ে সচেতন হওয়া দরকার এবং চিকিৎসককে বাইপাস করে চিকিৎসা করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। তাছাড়া করোনার একটি হোমিওপ্যাথিক ওষুধ বেশ কিছুদিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হচ্ছে। এটি করোনা দূর করতে পারেনা তবে তার প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে বলে দাবি করা হচ্ছে যদিও কোনও মহল থেকে এই হোমিওপ্যাথিক ওষুধের করোনার প্রতিষেধক বলে স্বীকৃতি পাওয়া যায়নি যতদূর জানা গেছে ।