ভারত নিউজ – সদ্য জন্ম নেওয়া একটি শিক্ষক সংগঠন বি জি টি এ, বয়স দুই থেকে তিন বছরের মতো হবে শিক্ষকদের অধিকার নিয়ে আন্দোলন করার সঙ্গে সঙ্গে মহামারী, লকডাউন, ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত মানুষদের পাশে দাঁড়াতে পৌঁছে যাচ্ছে জেলায় জেলায়। কখনও সুন্দরবনের আমফান বিধ্বস্ত গ্রামে, কখনও হাওড়া জেলার গ্রামে গ্রামে আবার কখনও ঝাড়গ্রামে ।

সংগঠনটি রাজ্য সরকার অনুমোদিত স্কুলের গ্র্যাজুয়েট শিক্ষকদের সংগঠন, বেতন বঞ্চনা নিয়ে সংগঠনটি গড়ে ওঠে তবে শিক্ষকদের একাধিক অধিকার, দাবি-দাওয়া, প্রশাসনের অন্যায্য সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলে। ক্রমে হাজার হাজার শিক্ষক শিক্ষিকা বি জি টি এর ছাতার তলায় এসে জড়ো হয়। সমাজে, প্রশাসনে, সরকারে শিক্ষক সংগঠনগুলির একটা প্রভাব ও ভূমিকা থাকে, শিক্ষকদেরও থাকে। রাজ্যের দুর্দিনে অসহায় মানুষের পাশে না থাকলে সেই সংগঠন জনসমর্থন থেকে দূরে সরে যায় এই কারণে বি জি টি এ সংগঠন স্কুলের দায়িত্ব , নিজেদের দাবি দাওয়া নিয়ে আন্দোলন সবকিছু বজায় রেখে মুখ্যমন্ত্রীর তহবিলে সাহায্য করার সঙ্গে সঙ্গে ত্রাণ বোঝাই গাড়ি নিয়ে পৌঁছে যাচ্ছে গ্রামে গ্রামে, সেইসঙ্গে শিক্ষকদের নিয়ে বিজিটিএর আন্দোলন পুরোপুরি গণতান্ত্রিক ও আদালতে আইনি পথে হওয়ায় শিক্ষকেরা নির্দ্বিধায় এই সংগঠনে যোগ দিতে পেরেছে। বি জি টি এ কোনও দলের শাখা সংগঠন না হয়ে নিজের স্বতন্ত্র অস্তিত্ব বজায় রেখেছে। বিজিটিএ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ও রক্তদান কর্মের সঙ্গে যুক্ত এক শিক্ষক বলেন মহামারী, লকডাউন প্রভৃতি কারণে রাজ্যে চরম সংকটে ব্লাড ব্যাংকগুলি।

নেতৃত্ব যাতে জেলাস্তরে বা ব্লক স্তরে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করে সে ব্যাপারে নেতৃত্বের সাথে আলোচনা করব কারণ আমাদেরই বহু ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে যাদের থ্যালাসেমিয়ার কারণে নিয়মিত রক্ত দিতে হয় সেই সঙ্গে প্রসূতি ও দুর্ঘটনাজনিত কারণে রক্তের প্রয়োজন হয়। তাছাড়া, এই সংকটের সময়ে বিভিন্ন সংগঠন রক্তদান শিবিরের আয়োজন না করে সরাসরি হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংকে গিয়ে রক্তদান করছেন, নেতৃত্বের সঙ্গে সেই ব্যাপারেও আলোচনা করা হবে।