ভারত নিউজ – উচ্চমাধ্যমিকের অবশিষ্ট পরীক্ষাগুলির দিনক্ষণ সরকারিভাবে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে কিন্তু তারপরেও রয়েছে সংশয়, আদৌ পরীক্ষা হবে তো। সংশয়ের কারণ ক্রমাগত করোনা আক্রান্তর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া। এই কারণে বিভিন্ন শিক্ষাবিদদের মতে এই মুহূর্তে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা না নিয়ে পিছিয়ে দেওয়া ভালো। ইংরেজি মাধ্যমের বোর্ডগুলিও পরীক্ষাকে ঐচ্ছিক করেছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার অন্যান্য বোর্ডগুলি কী সিদ্ধান্ত নেয় সেদিকে লক্ষ্য নজর করছে তাই বিজ্ঞপ্তি দিয়ে দেওয়ার পরেও একটা

অনিশ্চয়তা রয়ে গিয়েছে। কোন বোর্ড বা সরকার ঝুঁকি নিয়ে পরীক্ষা করানোর পক্ষপাতী নয় তাই পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে। পরীক্ষার্থীদের একটা আগাম প্রস্তুতি দরকার হয়। যতই পরীক্ষা পিছিয়ে যাক শেষ কয়েক দিনের একটা প্রস্তুতি দরকার হয়। তারাও দোলাচলে রয়েছে পরীক্ষা শেষ পর্যন্ত হবে তো। তাছাড়া, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পরীক্ষা করতে গেলে আরও অনেক বেশি স্কুলকে পরীক্ষা সেন্টার করতে হবে। স্কুলগুলো পরীক্ষার সেন্টার হলে তাদের একটা আগাম প্রস্তুতি দরকার হয়। এছাড়া রয়েছে স্কুলের হোস্টেলে থাকা ছাত্রছাত্রীদের সমস্যা। আগামী একত্রিশে জুলাই পর্যন্ত স্কুল বন্ধের সাথে সাথে হোস্টেল বন্ধ থাকছে। উচ্চমাধ্যমিকে ছাত্র-ছাত্রীরা ভালো স্কুলে পড়ার জন্য বিশেষত বিজ্ঞান বিষয়ের জন্য দূর-দূরান্ত থেকে আসে এবং তারা হোস্টেলে থেকেই পড়াশোনা করে এবং হোস্টেলে থেকেই পরীক্ষা দেয়। এখন হোস্টেল বন্ধ রাস্তায় ও যানবাহন অপ্রতুল থাকায় তারা বিশেষ চিন্তার মধ্যে রয়েছে।