ভারত নিউজ – মহামারী, লকডাউন, আর্থিক মন্দা প্রভৃতি কারণে মানুষের আয়ের পথ বন্ধ তাই বেসরকারি স্কুলগুলি স্কুলের কিছুটা ফি মুকুব করুক। অনেকে দাবি করছেন তিন মাসের স্কুলের ফি পুরোপুরি মুকুব করতে কিন্তু পুরোপুরি মুকুব করা সম্ভব নয় কারণ সেক্ষেত্রে ওই স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মীদের বেতন ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে সেক্ষেত্রে তারা সমস্যায় পড়বেন তা ছাড়া বেসরকারি স্কুলের শিক্ষক

ও শিক্ষা কর্মীরা খুব বেশি বেতন পাননা।এমনিতে দু একটি স্কুল শিক্ষকদের বেতন দেননি বা বলেছেন স্কুল চালু হলে তখন আবার আসতে। স্কুল বন্ধ থাকায় ইলেকট্রিক, জল, দৈনন্দিন স্কুল চালানোর ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা রক্ষার জন্য যে খরচ হয় সেটা হয়নি তাই স্কুলগুলি এই কয়েক মাসের জন্য লাভের পরিমাণ কমিয়ে যথাসম্ভব মুকুব করুক কারণ এই পরিস্থিতিতে বহু অভিভাবকের কাজ নেই বা আয় নেই তাদের পক্ষে বেসরকারি স্কুলের চড়া হারে নেওয়া ফি বহন করা সম্ভব নয়। তবে বেসরকারি স্কুলে একটা বড় অংশের অভিভাবক সরকারি উচ্চপদস্থ বা বড় ব্যবসায়ী তাদের পক্ষে এই তিন মাসের ফি দেওয়াটা কোনও সমস্যা নয় তবে যাদের সত্যিই সমস্যা রয়েছে তাদের দিকটি স্কুলগুলি মানবিকভাবে বিবেচনা করুক ৷