ভারত নিউজ (জেলার পাতা), পূর্ব মেদিনীপুর – পণের জন্য চাপ দিত শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। তার কারণেই গৃহবধূকে মেরে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল স্বামী ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে।এলাকার বাসিন্দাদের চাপে ও পুলিশি তৎপরতায় গ্রেফতার হল মৃত গৃহবধূর স্বামী, দেওর, শ্বশুর ও শ্বাশুড়ি। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথি শহরের তিন নং ওয়ার্ডের গৃহবধূর অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল। পরে কাঁথি থানার হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। বধূ নির্যাতনের জন্য সরকার কঠোর আইন করলেও পুরোপুরি বন্ধ হচ্ছেনা। মানুষের শিক্ষা, অসচেতনতা প্রভৃতি এর পেছনে দায়ী বলে মনে করা হয় সেইসঙ্গে মেয়েদেরকে স্বনির্ভর ও নিজের পায়ে প্রতিষ্ঠা করতে হবে, হয়তো মেয়েটির হত্যাকারীরা শাস্তি পাবে কিন্তু তার বাবা-মা অকালে হারিয়েছে তাদের সন্তানকে। আগামীদিনে এই সমস্ত ঘটনা অঙ্কুরেই বিনাশ করা দরকার যাতে হত্যা করার পর্যায় পর্যন্ত যেতে না পারে।

সম্প্রতি মুর্শিদাবাদের নওদা থানা ভ্রাম্যমান থানার মাধ্যমে মানুষের দুয়ার পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছে। এই ধরনের পরিকল্পনা আরো নিরবচ্ছিন্নভাবে করে যেতে হবে। উল্লেখ্য, ঘটনাটি ঘটেছে কাঁথি শহরের তিন নম্বর ওয়ার্ডে অর্থাৎ শহর এলাকায়। শহরের মানুষকে তুলনায় একটু সচেতন বলে মনে করা হয়। বধূ নির্যাতন, অতিরিক্ত পণের দাবি মেরে ঝুলিয়ে দেওয়া এই সমস্ত ঘটনা বন্ধ করার জন্য স্থানীয় পঞ্চায়েত, পৌরসভাগুলিকে আরও দায়িত্বশীল ও নজরদারি করতে হবে। গ্রামে বা শহরে পঞ্চায়েত বা পৌরসভার কর্তাব্যক্তিদের মানুষজন মান্যতা দেয়। পঞ্চায়েতে অর্ধেক এবং পুরসভাগুলোতে এক-তৃতীয়াংশ মহিলা সদস্য। তারা এই বিষয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করুক। শহর থেকে প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত সেমিনার, আলোচনাসভার মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করতে হবে, এই ধরনের কাজ অনৈতিক এবং এর শাস্তি কি হতে পারে এবং সংসারের ওপর বা পরিবারের ওপর তার প্রভাব বা পরিণতি কি পড়তে পারে।
চিত্র ও তথ্য সহায়তায় – পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশ ।