ভারত নিউজ – বাংলা আবাস যোজনা বা পিএমএওয়াই নিয়ে কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র বলেন ২০১১ – ১২ সাল নাগাদ সার্ভে হয়েছিল তখন দেখা হয়েছিল কাদের কাঁচা বাড়ি রয়েছে । এখন ২০২০ সাল। এর মধ্যে হয়তো কারোর অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো হয়েছে তখন সে পাকা বাড়ি বানালো। অর্থাৎ বাংলা আবাস যোজনার তালিকায় নাম থাকলেই তিনি টাকা পাবেননা কারণ ২০১১ – ১২ সাল থেকে ২০২০ সাল এই আট-নয় বছরে অনেকেরই অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো হতে পারে সেক্ষেত্রে পঞ্চায়েতের তালিকার বাইরে অন্য তালিকায় অর্থাৎ পিএমএওয়াই তালিকায় তার নাম থাকলেও ঘরের টাকা সে পাবেনা । এক্ষেত্রে পঞ্চায়েতের ফ্যাসিলেটর বা সহায়করা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সার্ভে করবেন তার কাঁচা বাড়ি রয়েছে কিনা ।

তবে এটা নিয়ে জনগণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকের মতে ২০১১ সালে কারোর কাঁচা বাড়ি ছিল সে হয়তো ভিনদেশে বা ভিন রাজ্যে কাজ করে টাকা জমিয়ে একটা বাড়ি বানালো তাহলে সে কি ঘরের টাকা পাবে না, আবার যে এই কটা বছর ঘুরে বেড়িয়ে কাটিয়ে দিল সে যেহেতু পাকা বাড়ি করেনি সে টাকা পেয়ে যাবে। আবার অনেকের মতে সঠিকভাবে সার্ভে করানো হোক যাতে সঠিক ব্যক্তি পাকা বাড়ির জন্য টাকা পায়। ভিআরপি বা ভিলেজ রিসোর্স পার্সন যারা তাদের দিয়ে বাড়ি বাড়ি সার্ভে করানো হোক। এই মুহূর্তে তারা ডেঙ্গির জন্য বাড়ি বাড়ি যাচ্ছে। তারা স্থানীয় ছেলে বা মেয়ে তাদের পক্ষে প্রতিটি বাড়ির তথ্য যোগাড় করা সম্ভব হবে ।