যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে। গ্রামবাসীদের আবেদনে কোন মহল থেকে সাড়া পাওয়া যায়নি তাই গ্রামবাসীরা নিজেরাই এগিয়ে এলো নিজেদের সমস্যা পূরণের জন্য। গ্রামবাসীরা নিজেরাই আর্থিক তহবিল গড়ে, স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে নির্মাণ করলো নদীর উপর কজওয়ে। বীরভূমের ময়ূরেশ্বর এক নম্বর ব্লকে বাজিতপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় দ্বারকা নদীর উপর এই সেতু নির্মাণে স্বেচ্ছাশ্রম দিয়েছেন ছাত্র-শিক্ষক থেকে সাধারণ মানুষ। বর্ষা এলেই স্থানীয় রসুলপুর, বড়গাছিয়া, বাজিতপুর, খেজুর-বাঁদি, রাতগড়া, শিউলিয়া, সেকেড্ডা, ছোটোপাথাই এমন অনেকগুলি গ্রামের মানুষজনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেত। ছাত্র-ছাত্রী থেকে অসুস্থ রোগী শিশুদের পারাপার হতে ভীষণ অসুবিধা হত। শিক্ষক বৈদ্যনাথ মন্ডল, বিশিষ্ট সমাজসেবী সৈয়দ কাসাফদ্দোজাদের মতো মানুষজন এগিয়ে এসে ও স্থানীয় মানুষের সহযোগিতায় স্বপ্ন পূরণে এলাকায় খুশির হাওয়া।

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাটের একটি গ্রামীণ মূল রাস্তা শোচনীয় অবস্থায় পড়েছিল সেই রাস্তায় অ্যাম্বুলেন্স পর্যন্ত প্রবেশ করতে পারতোনা। গ্রামবাসীরা নিজেরাই অর্থ ব্যয় করে ও শ্রম ব্যয় করে সেই রাস্তা মেরামত করেছিল ।

চিত্র ও তথ্য সহায়তায় – আকাশবাণী ৷