বিচার পেতে আদালতের শরণাপন্ন হল শুভ্রজিতের হতভাগ্য পরিবার। উত্তর চব্বিশ পরগনার উত্তর ব্যারাকপুর পৌরসভার ইছাপুরের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী শুভ্রজিৎ চ্যাটার্জির মৃত্যুর ঘটনার বিচার চেয়ে তার পরিবার আজ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। রক্তে শর্করায় আক্রান্ত শুভ্রজিৎকে তিনটি হাসপাতাল ঘুরিয়ে কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করার পর শেষ পর্যন্ত সেখানে তার মৃত্যু হয়। বেলঘরিয়ার একটি নার্সিংহোম কিভাবে তিন মিনিটের মধ্যে ওই কিশোরের করোনা পজিটিভ হয়েছে বলে রিপোর্ট দিয়েছে সে ব্যাপারেও শুভ্রজিৎ এর মা পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। উল্লেখ্য করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ থেকে রিপোর্ট আসা পর্যন্ত প্রায় চারদিন অপেক্ষা করতে হয় সেখানে তিন মিনিটের মধ্যে অত্যাশ্চর্যভাবে কিভাবে করোনা বলে দিল সেটা অবাক করার বিষয়। আসলে সমস্যাটা গোড়ায়। একটি রাষ্ট্রের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সম্পূর্ণভাবে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণাধীনে থাকা দরকার নাহলে সাধারণ মানুষ নিরপেক্ষ পরিষেবা পাবেনা আর নেহাতই বেসরকারিরণ করলে সেখানে সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও শর্তবিধি থাকা দরকার ।