ভারত নিউজ – মানুষ কেন অনলাইনে কেনাকাটা করে, মানুষ কেন দোকানে কেনাকাটা করেনা মানুষ পাড়ার দোকান ছেড়ে অনলাইনে কেনাকাটা শুরু করেছে অনেকটাই বাধ্য হয়ে ।বিশ্বজোড়া মহামারী ,অর্থনৈতিক মন্দা ,বেকারত্ব এই অবস্থাতেও একশ্রেণীর দোকানদার রীতিমতো অমানবিকভাবে ব্যবসা করে চলেছে ।লাভটাই বড় কথা মানবিকতা বা নৈতিকতাটা বড় কথা নয় । সার্জিক্যাল মাস্ক লকডাউনের শুরুতে কেউ কেউ তিরিশ

টাকাতেও বিক্রি করেছে ।বর্তমানে বাজারে কেউ কেউ দশ টাকায় বিক্রি করছে অথচ অনলাইনে সার্জিক্যাল মাস্ক কিনলে একশোর বান্ডিল ২৩০ টাকা ,ডেলিভারি চার্জ নিয়ে ২৭০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে অর্থাৎ একটা মাস্ক প্রায় আড়াই টাকায় পাওয়া যাচ্ছে । ব্যবসায়ীরা ওই মাস্ক অনলাইনে বা অফলাইনে কিনে দশ টাকায় বিক্রি করছে । আড়াই টাকায় কেনা জিনিসটা ডবল দামে অর্থাৎ পাঁচ টাকায় বিক্রি করতে পারত সেটাও কি যথেষ্ট লাভ রেখে বিক্রি করা নয় । কিন্তু সবকিছু ছাড়িয়ে দশ টাকায় বিক্রি হচ্ছে । আড়াই টাকার মাস্ক দশ টাকায় বিক্রি করলে কত গুন লাভ হচ্ছে ।এরপরে ক্রেতারা কেন অনলাইনে কিনবেনা ।অবশ্য কিছু কিছু জায়গায় দোকানদাররা সার্জিক্যাল মাস্ক পাঁচ টাকায় বিক্রি করছেন । N- 95 মাস্ক একসময় আড়াইশো টাকা দামে বিক্রি হয়েছে অথচ এখন N-95 মাস্ক একশো টাকার কম দামে বিক্রি হচ্ছে অনলাইনে । স্যানিটাইজার বাজারে মুড়ি মুড়কির মতো বিক্রি হচ্ছে । স্থানীয় কারখানায় বা কুটির শিল্পের মতো তৈরি হচ্ছে স্যানিটাইজার, হ্যান্ডওয়াশ সেগুলো কতটা কার্যকরী সেটা নিয়ে প্রশ্ন আছে । উল্টোদিকে মহামারীর বিরুদ্ধে একশ্রেণীর চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা জীবন বাজি নিয়ে লড়াই করছে অপরদিকে কিছু বেসরকারি নার্সিং হোম এই মহামারীর সুযোগ নিয়ে ভুতুড়ে বিল বানাচ্ছে যার পরিমাণ ১৮ লক্ষ, ১২লক্ষ ,৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হয়ে যাচ্ছে । অনেক চিকিৎসক ভিজিট বাড়িয়ে দিয়েছেন অথচ এই মন্দার বাজারে মানুষের হাতে টাকা নেই ।জনগণ চেয়েছিল করোনা সংক্রান্ত উপকরণগুলি যেমন মাস্ক হ্যান্ড স্যানিটাইজার এগুলো জিএসটি মুক্ত করতে যদিও সরকার সেটা করেনি তবে এক্ষেত্রে একটা সমস্যা ছিল কাঁচামালের উপর কিভাবে জিএসটি মুক্ত করা যাবে কারণ স্যানিটাইজার যে কাঁচামাল দিয়ে তৈরি হয় সেই কাঁচামাল দিয়ে শুধু যে স্যানিটাইজার তৈরি হয় তা নয় আরো অনেক কিছু তৈরি হয়। তবে কালোবাজারিটা সরকার কড়া হাতে দমন করতে পারত তবে স্যানিটাইজার জিএসটি মুক্ত বা শুল্কমুক্ত না করলেও তার প্রাইস রেট মার্চ মাসের তুলনায় অনেক কমানো হয়েছে । একটা সার্জিক্যাল মাস্ক আড়াই টাকায় কিনে দশ টাকায় বিক্রি করছে হয়তো ক্রেতার মনে হতে পারে দশ টাকাটা কি এমন কিন্তু ভেবে দেখুন দোকানদার কত গুন লাভ করছে । দশ টাকার চেয়েও বড় কথা ব্যবসায়িক নীতিটা ।একজন দোকানদার ক্রয় মূল্যের চেয়ে কুড়ি শতাংশ থেকে তিরিশ শতাংশ বেশি দামে বিক্রি করলে সেটা ন্যায্য ব্যবসা বলে গণ্য করা হয় ।