সাতসকালে রাজ্যের কয়েকটি জেলায় ভূমি কম্পন অনুভূত হয় ।সকাল ৭.৪৫ মিনিট নাগাদ নদীয়া ,বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান প্রভৃতি জেলায় এই কম্পন অনুভূত হয় । দুর্গাপুরে এই কম্পনের তীব্রতা ছিল ৪.১ । কম্পনটির গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার, উৎস স্থল ছিল আন্দামান ।তীব্রতা বেশি না থাকায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি তবে ওই সমস্ত এলাকায় মানুষজন আতঙ্কে ও নিরাপদ জায়গার সন্ধানে বাড়ি থেকে বাইরে বেরিয়ে আসে। উল্লেখ্য ,দুর্গাপুরে কিছুদিন আগে একটা হঠাৎ ধসে একটি বাড়ি তলিয়ে যায় অপরদিকে করোনার মাঝেই দেশজুড়ে কয়েকবার ভূমিকম্পন অনুভূত হয়। দিল্লি, কাশ্মীর, গুজরাট প্রভৃতি জায়গায় এই কম্পন অনুভূত হয় ।প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ওপর মানুষের বা প্রশাসনের হাত নেই বিশেষ করে ভূমিকম্পের উপর তবে যেহেতু এখন ভূমিকম্পের প্রবণতা বেড়েছে সেহেতু নির্মাণকার্য বা সিভিলিয়ান এর ক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে ।নির্মাণকার্য জোড়াতালি দিয়ে করা বন্ধ করতে হবে ।আরো বেশি করে বৃক্ষ রোপণ করতে হবে, অহেতুক ভূগর্ভস্থ জল তোলা বন্ধ করতে হবে ।
