চায়না অ্যাপ নিষিদ্ধ করার দাবি ছিল অনেকদিন ধরেই । সাম্প্রতিককালে চীন-ভারত রাজনৈতিক সম্পর্কের প্রেক্ষিতে ৬০ টি অ্যাপ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এরপর নতুন করে ১১৮ টি চায়না অ্যাপ নিষিদ্ধ করা হল যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল পিইউবিজি , অবশ্য এটা দক্ষিণ কোরিয়ার অ্যাপ । এই অ্যাপগুলি নিষিদ্ধ করার মূল কারণ হল তথ্য দেশের বাইরে চলে যাওয়া , জাতীয় সুরক্ষা এবং দেশের প্রতিরক্ষার কথা চিন্তা করে । এর আগে যে অ্যাপগুলি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল টিকটক , ভিগো ভিডিও প্রভৃতি । দেশের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক ধারা ৬৯ এ তথ্যপ্রযুক্তি আইনে এই অ্যাপগুলি নিষিদ্ধ করার আদেশ জারি করে । এছাড়া, জনমত তো ছিলই। পি ইউ বিজি গেম নষ্ট করছিল শৈশব, শিশুদের মানসিক স্থিতিশীলতা ও শারীরিক ছন্দ । দাবি উঠেছিল দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খেলার মাঠের সবুজ ঘাসে কচিকাঁচাদের ভিড় পুনরায় দেখা দেবে যদি পিইউবিজি গেমটিকে সরকার নিষিদ্ধ করে । দেশের বিভিন্ন মহল থেকে এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়েছে । এর ফলে ভারত থেকে প্রতিবছর যে বিপুল অর্থ বিদেশে চলে যেত তা দেশের মধ্যে থাকবে সেইসঙ্গে ভারত চীন তিক্ত সম্পর্কের প্রেক্ষিতে সামরিক চাপের সাথে সাথে অর্থনৈতিক দিক থেকে চাপে ফেলা যাবে । সেইসঙ্গে নিষিদ্ধ হওয়া অ্যাপগুলির মধ্যে যেগুলি প্রয়োজনীয় যেমন , ক্যামস্ক্যানার তার বিকল্প ভারতীয় অ্যাপ বানানোর প্রচেষ্টা চলছে । ক্যামস্ক্যানার অফিশিয়াল , আনঅফিসিয়াল কাজে প্রয়োজন হয় মূলত মুহূর্তমধ্যে ছবি তুলে নিখুঁত স্ক্যান করে যেকোনো জায়গায় পাঠানো যায় ।