গত প্রায় এক বছর ধরে চলছে রাজ্যের সরকার পোষিত স্কুলগুলির স্নাতক শিক্ষকদের স্টাফ প্যাটার্ন সমস্যা । ডেপুটেশন থেকে শেষ পর্যন্ত মামলা গড়ায় হাইকোর্টে । সমস্যাটা ছিল স্কুল সার্ভিস কমিশনে দীর্ঘদিন দুটি স্তর ছিল পিজি ও পাশ। সদ্য তিনটি স্তর হয়েছে আপার প্রাইমারি, নবম দশম এবং একাদশ ও দ্বাদশ ।পুরোনো নিয়মে পাশ ক্যাটাগরি শিক্ষকরা মাধ্যমিক পর্যন্ত স্তরের জন্য নিয়োগ হতেন । আপার প্রাইমারিতে এখনো পর্যন্ত কোন নিয়োগ হয়নি কিন্তু ২০১৬ সালের আগে যে সমস্ত পাশ শিক্ষক মাধ্যমিক স্তরের জন্য নিয়োগ হয়েছিলেন তাদের বিপুলসংখ্যককে আপার প্রাইমারিতে দেখানো হয়েছিল স্টাফ প্যাটার্নে । কর্মশিক্ষা ও শারীর শিক্ষার শিক্ষকদের সকলকেই এই ক্যাটাগরিতে দেখানো হয়েছিল । এছাড়া অন্যান্য বিষয়ের শিক্ষকদের বৃহৎ অংশকে আপার প্রাইমারিতে দেখানো হয় । এতেই তাঁরা ক্ষুব্ধ হন এবং অর্থনৈতিক ও মর্যাদার দিক থেকে অবনমনের আশঙ্কা করেন । স্নাতক শিক্ষকদের সংগঠন বি জি টি এ র পক্ষ থেকে দাবি করা হয় পাশ ক্যাটেগরির শিক্ষকদের নিয়োগপত্রে আপার প্রাইমারির কোন উল্লেখ নেই সেক্ষেত্রে তারা কেন আপার প্রাইমারিতে অবনমিত হবেন ? সেখানে স্পষ্টত উল্লেখ ছিল পাশ ক্যাটাগরি । সংগঠনের পক্ষ থেকে ডি আই এর কাছে ডেপুটেশন দেওয়া হয় এবং কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করা হয় । কিছু কিছু স্কুলেও স্নাতক শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিত প্রতিবাদপত্র জমা দেয় । শেষ পর্যন্ত মামলায় স্কুল শিক্ষা দপ্তর এর পক্ষ থেকে জানানো হয় ২০১৬ র আগে যারা পাশ ক্যাটেগরিতে নিয়োগ হয়েছে তাদের জন্য ‘নর্মাল সেকশন’ নামে একটি পৃথক কলম রাখা হবে ।