আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ভোট কর্মীদের ট্রেনিং এর সময় কোন জেলায় শুধু চা কোথাও টিফিন কোথাও লাঞ্চের ব্যবস্থা করা হয়। এই অসম্মানজনক অসঙ্গতি দূর, অমানবিক পরিশ্রমের পর ভোটের পরের দিন ভোট কর্মীদের জন্য অন ডিউটি এবং সম্মানজনক রেমুনারেশন বৃদ্ধি ইত্যাদির দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী-শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের নেতৃত্বে সকলের সম্মিলিত প্রতিবাদ ধ্বনিত হয়। নির্বাচন কমিশনের এই অসঙ্গতিগুলির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব, অ্যাডিশনাল সিইও সঞ্জয় বসু, ডেপুটি সিইও বুলান ভট্টাচার্যের হোয়াটসঅ্যাপ এবং কমিশনের নিজস্ব মেলে প্রতিবাদপত্র পাঠানো হয় । একই সাথে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ট্রেনিং সেন্টার গুলিতে ভোট কর্মীদের প্রতিবাদ ও ডেপুটেশন চলে। সাথে সাথে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই অসঙ্গতির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। এই সম্মিলিত প্রতিবাদের ফলে নির্বাচন কমিশন শেষ পর্যন্ত দাবি মেনে গতকাল ২২/০২/২১ তারিখে একটি নোটিফিকেশন জারি করে জানিয়েছে সব ভোট কর্মী ট্রেনিং-এর সময় ১৭০ টাকার লাঞ্চ পাবেন। উল্লেখ্য , এতদিন নির্বাচনের প্রশিক্ষণ দুটি হাফে হত । একজনের যেকোনো একটি হাফে পড়তো কিন্তু এবারে যে সিডিউল তাতে প্রায় ছ ঘন্টার ট্রেনিং নিতে হবে একজন ভোটকর্মীকে । দাবি মেনে নেওয়ায় নির্বাচন কমিশনকে তাঁরা অভিনন্দন জানায়। এছাড়া , ঐক্য মঞ্চের পক্ষ থেকে রাজ্য সম্পাদক কিঙ্করবাবু জানান , অন্যান্য অসঙ্গতিগুলি দূর করার দাবিতে জারি থাকবে আমাদের প্রতিবাদ আন্দোলন। অন্য রাজ্যে ভোটের পরের দিন সমস্ত ভোট কর্মীর জন্য অন ডিউটির ব্যবস্থা থাকলেও আমাদের রাজ্যে নেই কেন, সম্মানজনক রেমুনারেশন বৃদ্ধি সহ অন্যান্য দাবিতে আমাদের আন্দোলন জারি থাকছে ।
