বালির অঙ্কিত কুমার বিভিন্ন লোককে টেক্সট পাঠাত এই বলে যে সাইবার থানায় তাদের বিরুদ্ধে কেস আছে , সে টাকার বিনিময়ে ব্যপারটা মিটিয়ে দিতে পারে।দাবি করত ২০০০০ থেকে ১ লাখ টাকা।
এই কাজ করতে সে ব্যবহার করত কলকাতা পুলিশের লোগো এমনকি লোককে বিশ্বাস করাতে ব্যবহার করত ইন্টারনেট থেকে নেওয়া উচ্চপদস্থ আইপিএস অফিসারের ছবি।
ব্যাপারটি পুলিশের নজরে আসতেই এসআই রাজা সাহা এবং তাঁর টীম বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করে এবং গতকাল রাতে বালি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
অঙ্কিত ভেবেছিল ২৯ টি হ্যান্ডসেট পালটিয়ে , আইপি মাস্ক করে আইনের হাত থেকে পালাতে পারবে কিন্ত শেষরক্ষা হলনা ।

সামাজিক মাধ্যমে কি কি বিষয়ে পোস্ট করা যায়না এবং পোস্ট করলে কেস হতে পারে , সাইবার আইনে কি কি ধারা আছে , কোন ক্ষেত্রে পুলিশ কোন কেস দিতে পারেনা এগুলো সম্পর্কে অনেকেরই ধারণা নেই আর সেই সুযোগ নিয়েছিল ওই প্রতারক । সাধারণত অশ্লীল মন্তব্য, অশ্লীল আক্রমণ, জাতি বা ধর্মীয় উস্কানি , ইন্ধন, দাঙ্গায় প্ররোচনা দেওয়া, গুরুতর ভুয়ো পোস্ট , সাইবার প্রতারনা প্রভৃতি ক্ষেত্রে সাইবার আইনের ধারা প্রযোজ্য হতে পারে ।

চিত্র – কলকাতা পুলিশ ।