বিজ্ঞানীরা একটি পরীক্ষা করে দেখেছেন যে, ঘরের ভিতর এই গাছ রাখলে নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড ও ফর্ম্যালডিহাইডের মতো ক্ষতিকারক গ্যাসকে শোষণ করে ঘরকে দূষণমুক্ত রাখতে সাহায্য করে। এই গাছের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপকারী দিক হলো গাছটি প্রতিনিয়ত কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করতে থাকে। অন্য সব গাছ দিনে অক্সিজেন ছাড়ে কিন্তু এটি দিনে ও রাতে সর্বদা অক্সিজেন ছাড়ে।
এই গাছের পাতার আকৃতি অনেকটা সাপের মত প্যাঁচানো বলেই হয়ত লোকে একে স্নেক প্ল্যান্ট বলে। তবে এর আরো একটি মজার নাম আছে, দেশের বাইরে অনেকেই একে ‘Mother in law’s tongue’ বলে ডাকে যার বাংলা প্রতিশব্দ শাশুড়ির জ্বিহ্বা ।
শোবার ঘরে এই গাছটি রাখার একটি বিশেষত্ব আছে আর তা হলো,এটি রাতে অক্সিজেন ছাড়ে। এই গাছ যদি ঘরে রাখেন তাহলে ঘরে অক্সিজেনের কোনো ঘাটতি হবেনা। নাসার বিজ্ঞানীরা একটি সমীক্ষা করে দেখেছেন যে, ঘরের ভিতর এই গাছ রাখলে নাইট্রোডেন ডাই অক্সাইড ও ফার্ম্যালডিহাইডের মতো ক্ষতিকারক গ্যাসকে শোষণ করে ঘরকে দূষণমুক্ত রাখতে সাহায্য করে। এই গাছের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপকারী দিক হলো গাছটি প্রতিনিয়ত কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করতে থাকে অর্থাৎ ঘরে এই গাছ রাখলে দিনে এবং রাতে আপনি পাবেন স্বাস্থ্যকর পরিবেশ। ঘরের পরিবেশ বিশুদ্ধ করে বলে আপনার রাতের ঘুমটাও ভালো হবার পিছনে হাত আছে এই গাছের তাই অনেকে একে ঘুমের সহায়কও বলে থাকে। যাদের অ্যালার্জি হয়েছে বা যাদের ব্রিদিং ট্রাবল আছে তাদের জন্য বিশেষ করে এই গাছ খুব ভালো।
তথ্য সংগ্রহ – ইন্টারনেট
